উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ৯ বছরের শাসনে রাজ্যে এনকাউন্টারের ঘটনা বেড়েছে। রাজ্য সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৪৩টি এনকাউন্টারে ২৮৯ জন কুখ্যাত অপরাধী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ হাজার ৮৩৪ জন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৪ হাজার ২৫৩ জনকে।
এনকাউন্টারের পটভূমি
ভারতে এনকাউন্টার নীতি প্রথম শুরু হয় মুম্বাইয়ে আশির দশকে। পুলিশ কমিশনার জুলিও ফ্রান্সিস রিবোইরোর সময় এটি জনপ্রিয় হয়। ধারণা ছিল, অপরাধীদের ধরা ও আদালতে প্রমাণ করা কঠিন, তাই তাদের মেরে ফেলাই সহজ। তবে পুলিশকে গল্প ফাঁদতে হয়, যেমন পুলিশের ওপর হামলা বা পালানোর চেষ্টা।
যোগী আদিত্যনাথের নীতি
যোগী আদিত্যনাথ ২০১৭ সালে ক্ষমতায় এসে পুরোনো এনকাউন্টার নীতি আঁকড়ে ধরেন। তিনি রাজ্যকে অপরাধমুক্ত করতে চান এবং লগ্নি উপযোগী করতে চান। সরকারি বিবৃতি দাবি করে, এনকাউন্টারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে মিরাটে (৯৭ জন), বারানসিতে (২৯ জন) এবং আগ্রায় (২৪ জন)।
এ নিয়ে বিচার বিভাগের সমালোচনাও রয়েছে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি অরুণ কুমার সিং দেশোয়াল বলেছেন, এনকাউন্টার এখন মুড়িমুড়কির মতো ঘটছে, যা অভিযুক্তদের শিক্ষা দিতে বা ওপর মহলকে খুশি করতে করা হচ্ছে।



