হেজবুল্লাহর দাবি: ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা চালিয়েছে তারা
হেজবুল্লাহর দাবি: ইসরায়েলে রকেট হামলা

হেজবুল্লাহর দাবি: ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা চালিয়েছে তারা

ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র হেজবুল্লাহ গোষ্ঠী স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে একাধিক রকেট হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি অনুযায়ী, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামগুলোতে ধারাবাহিক হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ইসরায়েলে এই আক্রমণ পরিচালনা করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

হামলার সময় ও স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

হেজবুল্লাহ গোষ্ঠী তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, স্থানীয় সময় সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ ইসরায়েলের কিরইয়াত শামনা শহরে প্রথম রকেট হামলা চালানো হয়। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর, রাত ২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দোভিভ শহরেও অতর্কিত রকেট হামলা পরিচালিত হয়। এই হামলাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক বলে গোষ্ঠীটি দাবি করছে, যা ইসরায়েলি অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

হামলার পর ইসরায়েলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখনও ঘটনাস্থল তদন্ত করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, ইসরায়েলের সরকারি বা সামরিক পক্ষ থেকেও এসব হামলা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি, যা পরিস্থিতির জটিলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী হামলার ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

এর আগে হেজবুল্লাহ গোষ্ঠী জানিয়েছিল, তারা ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান, ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে মোট ৪৩ বার হামলা চালিয়েছে। এই নতুন হামলাগুলো সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে, যা আঞ্চলিক সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে এই ধরনের ঘটনা নিয়মিত হওয়া উদ্বেগজনক এবং এটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেজবুল্লাহর এই হামলার দাবি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, এবং কূটনৈতিক স্তরে সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের আলোচনা শুরু হতে পারে। লেবাননে চলমান অস্থিরতা এবং ইরানের সমর্থন এই গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে আরও জোরদার করছে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।