ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের কঠোর প্রত্যাখ্যান
ইরানের সম্পদ ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের কঠোর প্রত্যাখ্যান

ইসলামাবাদে চলমান উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ে ওঠা গুঞ্জন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানের কোনো জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে কোনো ধরনের সমঝোতায় পৌঁছায়নি

রয়টার্সের প্রতিবেদন ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া

এর আগে রয়টার্স বার্তা সংস্থা এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল যে, আলোচনার টেবিলে নিজেদের ‘আন্তরিকতা’ প্রমাণের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কাতার ও অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। ওই ইরানি সূত্র দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার শর্তেই এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি যুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য, ইরানের সাথে সম্পর্কিত প্রায় ছয়শ কোটি ডলারের এই সম্পদ ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যখন আন্তর্জাতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়, তখনই মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর বিবৃতি এসেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শান্তি আলোচনার নাজুক পরিস্থিতি

মূলত পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিরা একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই এই বিভ্রান্তি নিরসনে মার্কিন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি আলোচনার এই নাজুক মুহূর্তে সম্পদ ছাড়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন পরস্পরবিরোধী তথ্য উভয় পক্ষের মধ্যকার আস্থার ঘাটতিকেই পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমানে ইসলামাবাদে উপস্থিত উভয় দেশের প্রতিনিধি দল এখন চুক্তির মূল শর্তাবলি নিয়ে কাজ করছেন। এই আলোচনা চলাকালীন সময়ে সম্পদ মুক্তির বিষয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আলোচনার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, এই ঘটনা শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে যে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পুরোপুরি অবিশ্বাস নিয়ে আলোচনায় বসেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পটভূমিতে হোয়াইট হাউসের স্পষ্ট বক্তব্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সম্পদ মুক্তির বিষয়টি শান্তি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারত, কিন্তু মার্কিন প্রত্যাখ্যানের ফলে এই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইসলামাবাদে চলমান আলোচনা কীভাবে এগোবে, তা এখন সবার নজর রাখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।