ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে স্থল সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা তৈরি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
ইরান যুদ্ধে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা তৈরি

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে স্থল সেনা মোতায়েনের একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করেছে। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনার মূল দিকগুলো

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনায় ইরানি সেনাদের আটক ও বন্দি করার বিভিন্ন দিক এবং আধাসামরিক বাহিনীকে মোকাবিলার কৌশলসহ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বেশ কিছু বিকল্প প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সিবিএস নিউজকে বলেন, প্রেসিডেন্টের হাতে যুদ্ধের বিভিন্ন বিকল্প তুলে দেওয়া পেন্টাগনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর মানে এই নয় যে, প্রেসিডেন্ট কোথাও সেনা মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি

এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে চারটি যুদ্ধজাহাজ এবং ৪ হাজারেরও বেশি মার্কিন মেরিন সেনাকে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে রওয়ানা হওয়া প্রথম দলটি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই তৎপরতা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অস্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতি শান্ত করতে ভিন্ন সুর বজায় রাখছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্পের বক্তব্য ও জনমত

বৃহস্পতিবার এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। আর যদি পাঠাতামও, তবে আপনাদের বলতাম না। এটি খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তেলের দাম নিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমি ভেবেছিলাম দাম যতটা বেড়েছে, তার চেয়েও বেশি বাড়বে। তবে যখন এই অভিযান শেষ হবে, তখন আমরা একটি নিরাপদ পৃথিবী পাব। তিনি আরও দাবি করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তার এই অবস্থানের সঙ্গে একমত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক বিশ্বাস করেন যে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ইরানে বড় আকারের স্থল অভিযানের নির্দেশ দেবেন। তবে মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ এই ধরনের যুদ্ধের পক্ষে মত দিয়েছেন। জরিপে আরও দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ছিল ৩৯ শতাংশ, যা বর্তমানে ১ শতাংশ বেড়ে ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।