ইরানের খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০ যুদ্ধবিমানের অভিযান: ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই শুক্রবার (৬ মার্চ) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংসের অভিযানে প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল। এই অভিযানটি ইসরায়েলি বিমান বাহিনী পরিচালনা করে, যা খুবই সুরক্ষিত জায়গা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
বাঙ্কারের গঠন ও ব্যবহার
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারটি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি পুরো সড়ক জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এখানে ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত কক্ষ ছিল, যা অনেকগুলো প্রবেশপথ দ্বারা যুক্ত করা হয়েছিল। আভিচাই আদরাই আরও জানান, খামেনিকে হত্যার পরও, ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কমপ্লেক্সটি ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিলেন।
এই বাঙ্কারটি থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতেন বলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হতো, যা ইরানের কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
অভিযানের তাৎপর্য
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই অভিযানটি ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমানের অংশগ্রহণ এই অভিযানের ব্যাপকতা ও গুরুত্বকে তুলে ধরে। এটি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিতে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা এই ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



