ইউক্রেনের দাবি: রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কারখানায় হামলা, আগুন ও ক্ষয়ক্ষতি
ইউক্রেনের দাবি: রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কারখানায় হামলা

ইউক্রেনের দাবি: রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কারখানায় হামলা, আগুন ও ক্ষয়ক্ষতি

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দাবি করেছে যে তারা রাশিয়ার উদমুর্তিয়া অঞ্চলে অবস্থিত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী কারখানায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে কারখানার এলাকায় আগুন ধরে যায় এবং ক্ষয়ক্ষতি ঘটে বলে ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছেন।

হামলার বিস্তারিত বিবরণ

ইউক্রেনের সেনারা জানিয়েছে, তারা মস্কোর পূর্বে ভটকিনস্কে অবস্থিত রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাটিতে হামলা চালায়। এই কারখানায় ছোট-পরিসরের ইসকান্দার এবং আন্তঃমহাদেশীয় টোপোল-এম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছিল। ভটকিনস্ক ইউক্রেন থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা এই হামলার দূরত্বের দিকটি উল্লেখযোগ্য করে তোলে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা দেশীয়ভাবে তৈরি ও ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ফ্লামিঙ্গো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালিয়েছে। হামলার পর কারখানার এলাকায় আগুন লেগে যায়, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া ও অন্যান্য ঘটনা

রাশিয়ার উদমুর্তিয়া অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্দার ব্রেচালভ আগেই জানিয়েছিলেন যে ওই এলাকায় একটি স্থাপনায় রাতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘হামলার ফলে ক্ষতি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে।’ তবে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।

উদমুর্তিয়ার রাজধানী ইজেভস্কের বিমানবন্দর এবং আশেপাশের অঞ্চলের শহরের বিমানবন্দরগুলো কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রোসাভিয়াটসিয়া জানিয়েছে। এই পদক্ষেপ সম্ভবত নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে নেওয়া হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এদিকে, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী আরও দাবি করেছে যে তারা রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের একটি গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাতেও হামলা চালিয়েছে। তবে সামারা অঞ্চলের রাশিয়ার কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত এমন কোনো হামলার খবর প্রকাশ করেননি, যা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

এই ঘটনাটি রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে উভয় পক্ষই একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় হামলা সামরিক সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।