মালয়েশিয়ার কিলানতান রাজ্যে পুলিশের তল্লাশি এড়াতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার পর ৯ বাংলাদেশিসহ ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক বাংলাদেশিরা দেশটিতে অবস্থানের বৈধ নথি দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িচালক সীমান্ত এলাকা থেকে অভিবাসী পরিবহনের কথা স্বীকার করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
শনিবার (৩০ মে) সকাল ৭টার দিকে কিলানতানের তুমপাত জেলায় এ ঘটনা ঘটে। মালয় মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, টহলরত জেনারেল অপারেশন ফোর্সের (জিওএফ) সদস্যরা একটি সন্দেহজনক হলুদ রঙের গাড়িকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক গতি বাড়িয়ে পালিয়ে যান। জিওএফের দক্ষিণ-পূর্ব ব্রিগেডের কমান্ডার আহমদ রাদজি হুসাইনের ভাষ্য, পালানোর একপর্যায়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে গিয়ে প্রথমে আরেকটি গাড়ি এবং পরে একটি বাড়িতে ধাক্কা দেয়।
আটক ব্যক্তিরা
দুর্ঘটনার পর গাড়ি থেকে স্থানীয় এক চালক ও ৯ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাদের সবাইকে জিওএফ কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। বাংলাদেশি নাগরিকরা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
মানবপাচারের ইঙ্গিত
আহমদ রাদজি হুসাইন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে চালকের মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে অভিবাসীদের কোটা ভারুতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য জনপ্রতি ১০০ রিঙ্গিত করে পারিশ্রমিক পেতেন। ঘটনার পর আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মানবপাচারের অভিযোগে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



