কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১ আহত ২১
কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১ আহত ২১

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আজ রোববার ভোরে রাশিয়া ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় অন্তত একজন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। হামলায় আবাসিক ভবন, অফিস ও স্কুল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হামলার বিবরণ

কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, রাজধানী শহর ব্যাপক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি স্থানে হামলা হয়েছে—শেভচেঙ্কিভস্কি, দিনিপ্রোভস্কি ও পোদিলস্কি এলাকা। প্রাথমিকভাবে আবাসিক ভবনে আগুন লাগা ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ড্রোন হামলা এখনো চলছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকিও এখনো আছে। সবাই নিরাপদ আশ্রয়ে থাকুন!’

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো বলেছেন, পোদিলস্কি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার পর জরুরি চিকিৎসা দল পাঠানো হয়েছে। শেভচেঙ্কিভস্কি এলাকার একটি আবাসিক ভবনের কাছেও আগুন লেগেছে, সেখানকার জানালাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

এএফপির সাংবাদিকেরা ভোরে কিয়েভে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। ঘটনাস্থলে থাকা প্রতিবেদকেরা জানান, বিস্ফোরণের সময় সরকারি এলাকার কাছের একটি আবাসিক ভবন কেঁপে ওঠে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সবাইকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানালে বহু মানুষ কিয়েভের মধ্যাঞ্চলের ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেন।

পূর্বাভাস ও প্রতিক্রিয়া

এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত শনিবার সতর্ক করে বলেছিলেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাশিয়া বড় ধরনের বিমান হামলা চালাতে পারে। এই হামলায় রাশিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’ ব্যবহার করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর চালানো হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে রাশিয়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পোল্যান্ডের সতর্ক অবস্থান

ইউক্রেনে হামলার পর প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর উড়োজাহাজ ও যুদ্ধবিমানগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পোল্যান্ডের সেনাবাহিনী এ পদক্ষেপকে প্রতিরক্ষামূলক বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, পোল্যান্ডের আকাশসীমা বিশেষ করে যেসব অঞ্চল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত সেগুলোর আকাশসীমা নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখাই এর লক্ষ্য।