বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ
বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনায় অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা দেশের জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ জানিয়েছেন, এই কর্মপরিকল্পনার আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ, বনায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়াও কৃষি খাতে জলবায়ু-সহনশীল ফসলের চাষাবাদ ও পানি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হবে।

অভিযোজন কৌশল

কর্মপরিকল্পনার অভিযোজন অংশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা উন্নত করা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জন্য এই ব্যবস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রশমন কৌশল

প্রশমন অংশে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর ওপর জোর দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে শিল্প কারখানায় দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৪০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের পরিকল্পনা করছে।

এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা ও অর্থায়নও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল থেকে অর্থায়নের জন্য আবেদন করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় একটি রোল মডেল হয়ে উঠতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ