বাংলাদেশ অভিবাসনকে জলবায়ু-প্ররোচিত স্থানচ্যুতি মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী অভিযোজন কৌশল হিসেবে তুলে ধরেছে এবং স্থিতিস্থাপকতা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর জোর দিয়েছে।
জেনেভায় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
জেনেভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এই বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং টেকসই উন্নয়নের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জলবায়ু-প্ররোচিত স্থানচ্যুতি
জলবায়ু-প্ররোচিত স্থানচ্যুতি জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশগুলোতে মানব গতিশীলতার অন্যতম প্রধান কারণ। রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান মহাপরিচালক পোপকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন পর্যালোচনা ফোরামের সফল সমাপ্তি এবং বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদন ২০২৬ প্রকাশের জন্য অভিনন্দন জানান। শনিবার জেনেভায় বাংলাদেশ মিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
টেকসই উন্নয়নে অভিবাসনের ভূমিকা
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই উদ্যোগগুলো অভিবাসনকে টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি অনুঘটক হিসেবে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশগুলোর জন্য। নাহিদা সোবহান উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদনে অবদান রাখতে প্রস্তুত।
রোহিঙ্গা ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য সহায়তা
বৈঠকে আইওএম কীভাবে রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশের হোস্ট কমিউনিটির কল্যাণ ও স্থিতিস্থাপকতা আরও সমর্থন করতে পারে সে বিষয়েও অনুসন্ধান করা হয়।



