বাংলাদেশের হিন্দুদের কথা বলে পশ্চিমবঙ্গে আরএসএসের প্রচারণা
বাংলাদেশের হিন্দুদের কথা বলে পশ্চিমবঙ্গে আরএসএসের প্রচার

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির বড় সাফল্যের পেছনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএসের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংঘটি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে তারা নির্বাচনী রাজনীতি থেকে দূরে থাকে, তবে এবারের ভোটের ফলাফলের পর প্রশ্ন উঠেছে যে আরএসএস পর্দার আড়াল থেকে কোনো নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে কি না।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আরএসএসের প্রচারণা

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ সবসময়ই উঠে আসে। তবে এবারের ভোটের অনেক আগে থেকেই আরএসএস বাংলাদেশের ‘হিন্দুদের অবস্থা’ দেখিয়ে প্রচার চালিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরাও ‘অস্তিত্বের সংকটে’ পড়তে পারেন। এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে শত শত স্বয়ংসেবক ও কর্মী মাঠে নেমেছিলেন বলে আরএসএসের এক প্রচারক জানিয়েছেন।

আরএসএসের সক্রিয়তা বৃদ্ধি

বিজেপির মতাদর্শগত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত আরএসএস এই নির্বাচনে আগের চেয়ে বেশি সক্রিয়তা দেখিয়েছে বলে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রকাশ্যে মাঠে নামা থেকে বিরত ছিল সংঘ, তবে এবার তারা তৃণমূল স্তরে সমস্ত শক্তি নিয়ে নেমেছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধর্মীয় মেরুকরণের অভিযোগ

সমালোচকরা মনে করেন যে, নির্বাচনের সঙ্গে ‘অস্তিত্বের’ লড়াইয়ের কথা বলে ধর্মীয় মেরুকরণকে তীব্রতর করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন যে আরএসএস পরিকল্পিতভাবে মুসলিম ভোট সরিয়ে বিজেপিকে জেতানোর চেষ্টা করেছে। তবে আরএসএসের দাবি, তারা শুধু হিন্দু সমাজের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনী প্রচারণা ভারতীয় রাজনীতিতে ধর্মীয় মেরুকরণের নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আগামী দিনে এই ধারা অব্যাহত থাকলে পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ