নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। আজ দুপুরে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাটাখালি এলাকায় তিনি এ পরিদর্শন করেন।
স্থায়ী বাঁধের প্রতিশ্রুতি
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, উপকূলীয় উপজেলা সুবর্ণচর ও হাতিয়ায় মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে আগামী অর্থবছর থেকেই সরকারের ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে বক্তব্য
আজ রোববার দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন। মন্ত্রী বলেন, 'চোখের সামনেই মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে এসেছি। বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে ভাঙন প্রতিরোধে আমরা এরই মধ্যে জরুরি কাজ হাতে নিয়েছি। এ ছাড়া আরও দু-তিনটি পয়েন্টে দ্রুত জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।'
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, 'নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসান চরসহ পুরো হাতিয়া অঞ্চলের নদীভাঙন এলাকার দিকে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেকগুলো প্রকল্পের কাজ চলছে। তবে সুবর্ণচরের এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বাঁধের। যেখানে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে আমরা টেকসই কাজের ব্যবস্থা করব।'
সরকারের কাজের অগ্রগতি
সরকারের মেয়াদের তিন মাসের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা নির্বাচিত হয়েছি। ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নিয়েছি। এর পর থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এ তিন মাসে প্রতিটি সেক্টরে কীভাবে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আমরা জনগণের স্বার্থে, জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।'
অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিরা
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এ টি এম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর, সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশীদ আজাদ প্রমুখ।



