মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন রোধে ইমিগ্রেশন বিভাগ তাদের অভিযান আরও জোরদার করেছে। ৬ মে ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের দমন এবং অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে ধারাবাহিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অভিযানের বিবরণ
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৪ মে দেশব্যাপী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোট ৩২টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জেআইএম (মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ)। এসব অভিযানে ১৫০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে বৈধ নথিপত্র ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগের অভিযোগে ১৩ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।
ভিজিট পাশ ও পিএলকেএস অপব্যবহার
জেআইএম বিশেষভাবে সামাজিক ভিজিট পাশ ও অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাশের (পিএলকেএস) অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অনেক বিদেশি কর্মী অনুমোদিত খাতের বাইরে কাজ করছেন, যা দেশের আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে পাশ বাতিল, বহিষ্কার এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
একই সঙ্গে, বৈধ পাশ ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেআইএম বলছে, কোনো ধরনের আপস ছাড়াই এসব অপরাধের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করা হবে, যাতে দেশের শ্রমবাজারে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং বিদেশি শ্রমিকদের শোষণ প্রতিরোধ করা যায়।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সন্দেহজনক কার্যক্রম বা অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের অভিবাসন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



