আন্তর্জাতিক সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান নৌবাহিনী
আন্তর্জাতিক সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান নৌবাহিনী। আরব সাগরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিপদে পড়া একটি বাণিজ্যিক জাহাজে মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়েছে পাকিস্তান নৌবাহিনী। সোমবার (৪ মে) নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জিও নিউজ।

উদ্ধার অভিযানের বিবরণ

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ‘এমভি গৌতম’ নামের ওই জাহাজটিতে থাকা ছয়জন ভারতীয় এবং একজন ইন্দোনেশীয় নাবিককে জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ওমান থেকে ভারত যাওয়ার পথে মাঝসমুদ্রে জাহাজটি যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে। ঘটনার পর মুম্বাইয়ের মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (এমআরসিসি) সহায়তার জন্য পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। জরুরি সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সির জাহাজ ‘পিএনএস কাশ্মীর’কে উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করে।

সহায়তা ও চিকিৎসা

নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের নাবিকদের খাবার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পাকিস্তান নৌবাহিনী সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকে বলে তারা উল্লেখ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী উদ্ধার অভিযান

মেরিটাইম সেফটি ম্যান্ডেটের অংশ হিসেবে পাকিস্তান নৌবাহিনী সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলে বেশ কিছু উদ্ধার ও সরিয়ে নেওয়ার অভিযান পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ ও মাছ ধরার ট্রলারও ছিল। এর আগে গত এপ্রিলে উত্তর আরব সাগরে বিপদে পড়া একটি বাণিজ্যিক জাহাজের ১৮ জন নাবিককে উদ্ধার করেছিল পাকিস্তান নৌবাহিনী। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তান উপকূল থেকে প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার দূরে ‘এমভি গোল্ড অটাম’ নামের একটি জাহাজ থেকে বিপদ সংকেত পেয়ে ‘পিএনএস হুনাইন’ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইএসপিআর জানায়, নৌবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল দ্রুত সেখানে পৌঁছে নাবিকদের চিকিৎসা সেবা প্রদান, অগ্নিনির্বাপণ এবং জাহাজের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন সম্পন্ন করে। উদ্ধার করা ১৮ জন নাবিকের মধ্যে চীন, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য করাচিতে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে নিজ নিজ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।