মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন, তা কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল চালু হবে এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের অবসান ঘটবে; তবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা আপাতত পরবর্তী সময়ের জন্য স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, তেহরান বিশ্বাস করে যে পারমাণবিক আলোচনা আপাতত পরবর্তী সময়ের জন্য স্থগিত রাখার এই প্রস্তাব একটি বড় ধরনের পরিবর্তন, যা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
ইরানের এই প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আর আক্রমণ করবে না—এমন নিশ্চয়তার বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করবে। এই শর্তগুলো পূরণ হলে যুদ্ধ শেষ হবে বলে আশা করছে ইরান।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এই চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরান দাবি জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যেন শান্তিপূর্ণ উদ্দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়, যদিও ইরান তা স্থগিত রাখতে রাজি রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এই কাঠামোর আওতায়, পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো আলোচনার শেষ পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের এই প্রস্তাবে ‘সন্তুষ্ট নন’। বিস্তারিত না জানালেও তিনি জানান, ইরান এমন কিছু চাইছে যা তার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।



