বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী টারিক রহমান ২০২৬ সালের জুন মাসের শেষের দিকে চীন সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার গঠনের পর এটি তার দ্বিতীয় সরকারি রাষ্ট্রীয় সফর হবে বলে জানা গেছে।
সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্য
এই সফর বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং তাদের ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতায় একটি নতুন অধ্যায় সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬ তারিখে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল একথা বলেন।
চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম
তিনি চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ৭ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে বক্তৃতা দেওয়ার সময় এই মন্তব্য করেন।
ডেপুটি স্পিকার তার বক্তৃতায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরেন।
ঐতিহাসিক সফরের উল্লেখ
তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ এবং ১৯৮০ সালে চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এছাড়াও তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ১৯৯১ এবং ২০০২ সালের চীন সফর সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে উন্নীত করেছিল।



