ইসরায়েলের উদ্বেগ: ইরান চুক্তি নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে
ইসরায়েলের উদ্বেগ: ইরান চুক্তি নিরাপত্তা ঝুঁকি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। দেশটির চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে তারা দাবি করেছেন, উদীয়মান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি থেকে বোঝা যাচ্ছে ওয়াশিংটন তেহরানের মূল শর্তগুলো মেনে নিয়েছে। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের উদ্বেগ

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেন, ইরানিরা বিনা কারণে এতে সম্মত হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ইরান ইস্যু নিয়ে কাজ করা ইসরায়েলি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রবিবার সই হওয়ার কথা থাকা সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলো ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে’।

তাদের মতে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে, ইরানের সরকার নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করবে এবং এটি ইরানের জনগণের জন্যও একটি চপেটাঘাত হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চুক্তির কাঠামো নিয়ে সমালোচনা

কর্মকর্তারা এই চুক্তির রূপরেখাকে ইরানের জন্য ‘বাকিতে পরিশোধ’ বা সুবিধা নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। কারণ, তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে কেবল তখনই রাজি হয়েছে, যখন যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এবং ইরানের অবরুদ্ধ করা তহবিল ছেড়ে দেওয়াসহ বেশ কিছু শর্ত পূরণ করা হবে।

একজন কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-কে বলেন, এটি গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চুক্তির একই ধরনের কাঠামো। হামাসকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতির কী হয়েছে, সেটি নিজেই ভাবুন। ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর যদি ইরান তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ শুরু না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কার্যকর চাপ প্রয়োগের কী উপায় থাকবে? বিশ্বাসযোগ্য সামরিক হুমকি প্রায় পুরোপুরি ক্ষয়ে গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অমীমাংসিত ইস্যু

কর্মকর্তারা আরও অভিযোগ করেন, ইউরেনিয়াম বিষয়টি এখন ইউরেনিয়াম লঘুকরণ বা হালকা করার বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিষয়টি এই চুক্তির অংশই নয়। যুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েল যেসব মূল সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিল, তার কোনোটিই এই চুক্তিতে সমাধান করা হয়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।