ইরানের জব্দকৃত অর্থের একটি অংশ দেশের জরুরি পণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে। দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর কাতারে আটকে থাকা ইরানের কিছু অর্থ এ কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।
সমঝোতার অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়
সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ইরানের জব্দ বা সীমাবদ্ধ থাকা অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। এটি ওই চুক্তি বাস্তবায়নের একটি অংশ। তবে এই অর্থ কীভাবে ছাড়া হবে, কীভাবে ব্যবহার করা হবে এবং ঠিক কবে থেকে তা কার্যকর হবে—এসব বিষয় এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিক ৬০০ কোটি ডলারের আলোচনা
গারিবাবাদির বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলেছে, ‘কাতারের কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে প্রাথমিক ৬০০ কোটি (৬ বিলিয়ন) ডলারের একটি অংশ কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা হবে এবং সেগুলো ইরানের কাছে সরবরাহ করা হবে।’
অর্থ ব্যবহারের অনিশ্চয়তা
এই অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া, ব্যবহারের পদ্ধতি এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী দোহায় কাতারের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই অর্থের একটি অংশ কীভাবে জরুরি পণ্য কেনায় ব্যয় করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।



