পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পরিস্থিতি নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে এক ‘গঠনমূলক’ ও ‘ভবিষ্যৎমুখী’ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উভয় পক্ষই এই বৈঠকে জোর দিয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এই খবর প্রকাশ করেছে।
বেইজিংয়ে ডব্লিউএমসিসি বৈঠক
বুধবার (২৭ মে) বেইজিংয়ে ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন (ডব্লিউএমসিসি)-এর বৈঠকে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষ এবং পূর্ব লাদাখে দীর্ঘায়িত সামরিক অচলাবস্থার কারণে সৃষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনে দুই দেশের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
বৈঠকের এক দিন পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আলোচনাটি গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী ছিল। মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, উভয় পক্ষই ভারত-চীন সীমান্ত এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে। সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন; যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিশেষ প্রতিনিধি বৈঠক
পাশাপাশি, চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকের জন্য যৌথভাবে ‘যথেষ্ট প্রস্তুতি’ নেওয়ার বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে। এর আগে গত বছরের আগস্টে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই নয়াদিল্লিতে বিশেষ প্রতিনিধিদের সংলাপে অংশ নিয়েছিলেন, যা সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ইতিবাচক ফলাফল এনেছিল।



