তেলের দামে বড় পতন, শান্তি চুক্তির আশায় বিশ্ববাজার
তেলের দামে বড় পতন, শান্তি চুক্তির আশায় বাজার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তি চুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এমন আশাবাদ তৈরি হওয়ায় সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। যদিও হরমুজ প্রণালির অবরোধের মতো বেশ কিছু প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশ এখনও ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

তেলের দামের পতন

আন্তর্জাতিক বাজারে সোমবার জিএমটি সময় ৮টা ২২ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ব্যারেল প্রতি ৪ দশমিক ৪৪ ডলার বা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৯৯ দশমিক ১০ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ফিউচার্সের দাম ব্যারেল প্রতি ৪ দশমিক ৩৬ ডলার বা ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ২৪ ডলারে। লেনদেনের শুরুর দিকে উভয় গত ৭ মে-এর পর তাদের সর্বনিম্ন মূল্য স্পর্শ করে।

শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ওয়াশিংটন ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে ‘মোটামুটি আলোচনা করা বা চূড়ান্ত হয়ে গেছে’, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। সংঘাত শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হতো।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তবে বেশ কিছু জটিল বিষয়ে দুই পক্ষ এখনও ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প রবিবারও বলেছেন যে, তিনি তার প্রতিনিধিদের কোনও চুক্তির জন্য তাড়াহুড়ো না করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

আইএনজি-এর কমোডিটি স্ট্র্যাটেজির প্রধান ওয়ারেন প্যাটারসন বলেন, ‘আমরা আগেও এই পর্যায়ে এসেছিলাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে আলোচনা ভেস্তে গেছে। তাই বাজার সম্ভবত অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষেত্রে এবার আরও বেশি সতর্ক থাকবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুই পক্ষের বক্তব্য

সোমবার উভয় পক্ষই অবশ্য এখনই কোনও বড় ধরনের চুক্তি বা অগ্রগতি হওয়ার আশাকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, হয় একটি ভালো চুক্তি হবে, অন্যথায় ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘অন্য উপায়ে’ মোকাবিলা করবে।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, ইরান মূলত যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে আলোচনা করছে এবং বর্তমানে পারমাণবিক বিষয়গুলো নিয়ে কোনও আলোচনা করছে না।