স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাইকমিশনার
স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

বাংলাদেশিদের স্বল্পব্যয়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের রিদম গ্রুপ এবং ভারতের মণিপাল হসপিটালের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসা পর্যটন সহজতর হবে এবং বাংলাদেশি রোগীরা ভারতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে আরও সহজ সুযোগ পাবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হাইকমিশনারের বক্তব্য

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত। একইসঙ্গে মেডিকেল ট্যুরিজম খাতকে আরও সুসংগঠিত করতে দুই দেশের বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ কেবল ব্যবসায়িক নয়, বরং এটি জনকেন্দ্রিক সহযোগিতার একটি অংশ। ভারতের উন্নত চিকিৎসা দক্ষতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ জ্ঞান বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

চুক্তির আওতায় সুবিধাসমূহ

চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি রোগীরা ভিসা সহায়তা, উন্নত চিকিৎসা, আবাসন সুবিধা এবং বিমান ভাড়ায় বিশেষ ছাড় পাবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এই সুবিধাগুলো বাংলাদেশি রোগীদের জন্য ভারতের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভিসা সহজীকরণের প্রতিশ্রুতি

এদিকে, সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের সময় তাঁর সঙ্গে বৈঠকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা, বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করার আশ্বাস দেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুতই বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসা ভিসা চালু করা হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভিসা কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম সীমিত করেছিল ভারত, যা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তবে সাম্প্রতিক আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সবমিলিয়ে, বাংলাদেশি রোগীদের জন্য ভারতের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।