বাংলাদেশে করোনা টিকার তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রথম ধাপে স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীরা এই টিকা পাবেন।
বুস্টার ডোজের লক্ষ্য
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘বুস্টার ডোজ দেওয়ার মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রথম দুই ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পর এই ডোজ দেওয়া হবে।’ ইতিমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।
টিকা গ্রহণের প্রক্রিয়া
যারা প্রথম দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, তারা নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। টিকা নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুস্টার ডোজের জন্য আলাদা কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘বুস্টার ডোজ দেওয়ার মাধ্যমে আমরা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আরও একধাপ এগিয়ে যাব।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা এখনো প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেননি, তারা দ্রুত নিয়ে নিন।’
টিকার কার্যকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম দুই ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পর শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা কমে যায়। বুস্টার ডোজ সেই অ্যান্টিবডির মাত্রা আবার বাড়িয়ে দেয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৫০ লাখ মানুষ প্রথম ডোজ এবং ৮ কোটি ২০ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন।
সারা দেশে মোট ৪ হাজার ৫০০ টিকা কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ মানুষকে বুস্টার ডোজ দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।



