প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণতায় হাম টিকাদান কর্মসূচি এগিয়ে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে অনেকটা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
টিকাদানের সময়সূচি ও পরিকল্পনা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে ৩ মে থেকে হামের টিকা দেওয়া হবে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি এবং ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ৩ মে থেকে অবশিষ্ট সারাদেশে একযোগে টিকা প্রদান করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে শুরু হওয়া এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে মিজলস (হাম) প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হচ্ছে। দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা ও নির্দেশনা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় আমরা এই টিকাদান কর্মসূচিটাকে অনেকটা এগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। উনার বিচক্ষণতা বা উনার যদি এইরকম জনগণের প্রতি দৃষ্টি রাখায় ঘাটতি থাকতো তাহলে আজকে এই কর্মসূচিটা আমরা সফলভাবে করতে পারতাম না।"
তিনি দলীয় নেতৃবৃন্দকে গ্রামের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখার অনুরোধ জানান এবং বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, আমাদের বাচ্চারা যদি হাম আক্রান্ত হয়, সাথে সাথে আপনারা অভিভাবকদের বুঝিয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেবেন, যাতে করে একটা সন্তানও যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে, কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়।"
শিশুদের টিকা দেওয়ার কারণ
৫ বছর বয়সি পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়ার ব্যাখ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৮২ শতাংশ রোগী ৫ বছরের কম বয়সী হওয়ায় তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের পরে পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদান করা হবে।
তিনি অতীতের সরকারগুলোর ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে হামের প্রাদুর্ভাব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন, যা বর্তমান সরকারের সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মোকাবিলা করা হচ্ছে।
এই টিকাদান কর্মসূচি শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে চলেছে।



