শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। ঘুম কম হলে শিশুর শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের অভাবে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, মনোযোগ কমে এবং শেখার ক্ষমতা ব্যাহত হয়।
ঘুম কম হলে শিশুর কী কী ক্ষতি হয়?
প্রথমত, ঘুমের অভাবে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। কারণ বৃদ্ধির হরমোন মূলত ঘুমের সময়ই নিঃসৃত হয়। দ্বিতীয়ত, ঘুম কম হলে শিশু খিটখিটে হয়ে ওঠে এবং মানসিক চাপ বাড়ে। তৃতীয়ত, ঘুমের অভাবে শিশুর স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
শিশুর ঘুমের চাহিদা কতটুকু?
বয়সভেদে শিশুর ঘুমের চাহিদা ভিন্ন হয়। নবজাতকের ১৬-১৮ ঘণ্টা, ১-২ বছরের শিশুর ১২-১৪ ঘণ্টা, ৩-৫ বছরের শিশুর ১১-১৩ ঘণ্টা এবং ৬-১২ বছরের শিশুর ১০-১১ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করার উপায়
- প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।
- শোবার আগে মোবাইল, ট্যাবলেট বা টিভি থেকে দূরে রাখুন।
- ঘুমানোর পরিবেশ শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন।
- দিনের বেলায় পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যকলাপ নিশ্চিত করুন।
শিশুর সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ঘুমের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেওয়া জরুরি।



