লিভার জটিলতায় লাইফ সাপোর্টে কারিনা হামিদ, চেন্নাই নেওয়া হচ্ছে
লিভার জটিলতায় কারিনা হামিদ লাইফ সাপোর্টে, চেন্নাই যাচ্ছেন

বেশ কিছুদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা হামিদ। সোমবার (১১ মে) বিকেলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার বাবা, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ।

কায়সার হামিদের ক্ষোভ

বাংলা ট্রিবিউনকে কায়সার হামিদ জানান, তিনি শুরুতে জানতেন না যে দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের যথাযথ চিকিৎসা নেই। তিনি বলেন, “আমি জানতাম না, আমাকে যদি শুরুতেই বলা হতো আমাদের দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের যথাযথ চিকিৎসা নেই, তাহলে প্রথম দিনই তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতাম। এখন এত দেরিতে বলা হচ্ছে। চিকিৎসা ব্যায় বেড়ে গেছে, যা আমার সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। আমি ইতিমধ্যে চেন্নাইয়ের কয়েকটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই নিতে হচ্ছে।”

চিকিৎসার ব্যয় কোটি টাকার উপরে পৌঁছেছে বলে জানান তিনি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কায়সার হামিদ বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন। আমি না হয়, জমি বিক্রি করছি, ওর বন্ধুরা, ভক্তরা পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু গরিবরা তাহলে কোথায় যাবে?”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চিকিৎসার খরচ জোগাড়

তিনি আরও জানান, জমি বিক্রি এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় কারিনার চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা হচ্ছে। সরকারের কাছে সহযোগিতা চাইলেও এখনও সাড়া পাননি তিনি। কায়সার হামিদ বলেন, “আমিনুলকে (আমিনুল ইসলাম, ক্রীড়া মন্ত্রী) জানিয়েছি, ও সম্ভবত দেশের বাইরে। প্রধানমন্ত্রীকে হয়তো জানিয়েছে। অপেক্ষা করছি।”

অসুস্থতার শুরু থেকে বর্তমান

গত ২ মে থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা হামিদ। আগে থেকেই তার ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ছিল। কয়েকদিন ধরে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। শুরুতে বিষয়টি সাধারণ অসুস্থতা মনে হলেও পরে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে অবস্থার জটিলতা বাড়তে থাকায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয় এবং গত শুক্রবার তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।