শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষকের মৃত্যু, আহত আরেকজন
শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষক নিহত

শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় এক মর্মান্তিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট দুর্ঘটনায় দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরেক কৃষক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নকলা উপজেলার ৫নম্বর বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের পুলাদেশী গ্রামে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কৃষক সামিদুল ইসলাম (৬০) তার নিজস্ব সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক তার মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। এই অবস্থা দেখে প্রতিবেশী দুই কৃষক মিন্টু মিয়া (৪৫) ও আঙুর মিয়া (৫০) তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, উদ্ধারকারী এই দুই কৃষকও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে যান। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

চিকিৎসক ও পুলিশের বক্তব্য

নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মালিহা নুজাত ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, “বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে মিন্টু ও আঙুর নামে দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। একই সময় সামিদুল ইসলাম নামে অপর একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নকলা থানার ডিউটি অফিসার তরিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজন নিহতের ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, “বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজন কৃষক নিহতের ঘটনায় নকলা থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিহত ও আহতদের পরিচয়

  • মিন্টু মিয়া (৪৫): নিহত, পুলাদেশী গ্রামের উমেদ আলীর ছেলে।
  • আঙুর মিয়া (৫০): নিহত, একই গ্রামের কুবেদ আলীর বড় ছেলে।
  • সামিদুল ইসলাম (৬০): গুরুতর আহত, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।

এই দুর্ঘটনা স্থানীয় সম্প্রদায়ে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং গ্রামীণ এলাকায় বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সক্রিয় রয়েছে।