বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার অভাবে এবং নিরাপদ যৌন অভ্যাসের অভাবের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সংক্রমণের হার ও ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে বরিশালে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মাদকাসক্তি, অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক এবং সচেতনতার অভাবকে সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রতিরোধে করণীয়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইচআইভি প্রতিরোধে শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। স্কুল-কলেজে যৌন শিক্ষা চালু করা, কনডমের ব্যবহার বাড়ানো এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসা সেবা ও সহায়তা জোরদার করার ওপর জোর দেন তারা।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এইচআইভি প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে সঠিক তথ্যের অভাবে এবং সামাজিক কুসংস্কারের কারণে অনেকেই চিকিৎসা নিতে এগিয়ে আসছে না।
তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে পরিবার, সমাজ এবং সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সচেতনতা ও সহানুভূতিশীল আচরণই পারে এই মহামারী মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে।



