বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণের মাত্রা বিশ্বের অন্যান্য শহরের তুলনায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বায়ুতে ক্ষতিকর কণার পরিমাণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।
বায়ুদূষণের কারণ
ঢাকায় বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজ এবং শিল্পকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে শীতকালে বায়ু স্থির থাকায় দূষণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব
দীর্ঘমেয়াদি বায়ুদূষণের কারণে নানা রকম শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই দূষণের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরিবেশবিদরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ইটভাটা বন্ধ করা, যানবাহনের নির্গমন কমানো এবং সবুজায়ন বাড়ানোর মতো উদ্যোগ নিতে হবে।



