ই-সিগারেট কি সত্যিই কম ক্ষতিকর? বিশেষজ্ঞের মতামত
ই-সিগারেট কি সত্যিই কম ক্ষতিকর? বিশেষজ্ঞের মতামত

ই-সিগারেট: জনস্বাস্থ্যের জন্য কী ঝুঁকি?

প্রথম আলো ট্রাস্টের এক আয়োজনে বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে এই সভার ১৭৭তম আসর বসে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক।

এইবারের আলোচনার বিষয় ছিল—'ই-সিগারেট জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি না বিকল্প?' সেখান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো। ই-সিগারেট বা ভেপিং সাধারণ সিগারেটের চেয়ে কম ক্ষতিকর মনে করা হলেও এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

ই-সিগারেটের ক্ষতিকর দিক

চিকিৎসক ডা. সরদার আতিক জানান, ই-সিগারেটে সিগারেটের মতো অনেক ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান কম থাকলেও এর একটি বড় সমস্যা হলো সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। এতে কোনো দুর্গন্ধ না থাকায় এবং ফ্রুট বা চকলেট ফ্লেভার থাকায় আশেপাশের মানুষ বিরক্ত হয় না। ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনসমক্ষে এটি পান করার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সুগন্ধি ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে অধূমপায়ীরাও পরোক্ষভাবে ধূমপানের প্রতি উৎসাহিত হতে পারে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন উদ্বেগের বিষয়। ই-সিগারেটে নিকোটিন থাকায় এটি আসক্তিও তৈরি করতে পারে, যা পরবর্তীতে সাধারণ সিগারেটের দিকে ধাবিত করতে পারে।

পরামর্শ ও সতর্কতা

ডা. সরদার আতিকের মতে, ই-সিগারেটকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বিকল্প হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি তরুণদের মধ্যে নতুন করে ধূমপানের প্রবণতা তৈরি করছে। তাই মাদকবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ই-সিগারেটের ব্যবহার নিয়েও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ