ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক: মনিকা আক্তার মিতুর পরিচয়ে জালিয়াতি
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক, পুলিশে সোপর্দ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক: মনিকা আক্তার মিতুর পরিচয়ে জালিয়াতি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের লেডিস কমন রুম থেকে এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে কলেজ প্রশাসন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত তরুণী মনিকা আক্তার মিতু নামে পরিচয় দিয়েছেন, যিনি জাল আইডি কার্ড ও অ্যাপ্রোন পরিহিত অবস্থায় কলেজে চলাফেরা করছিলেন।

ঘটনার বিবরণ

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পুরাতন ভবনের নিচতলায় অবস্থিত লেডিস কমন রুমে মনিকা আক্তার মিতুকে দেখা যায়। তিনি ভুয়া আইডি কার্ড ও অ্যাপ্রোন পরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার উপর সন্দেহ প্রকাশ করে তার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার আইডি কার্ড পরীক্ষা করেন। তারা নিশ্চিত হন যে, তিনি এই কলেজের কোনো শিক্ষার্থী নন।

এরপর তাকে আটক করে কলেজ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং পরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আটককৃত তরুণীর পরিচয়

মনিকা আক্তার মিতু নিজেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার মমিন আলীর মেয়ে হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি বর্তমানে নবাবগঞ্জে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি কী কারণে এবং কেন এই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এসেছিলেন, সে ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি।

কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ তার উদ্দেশ্য ও পটভূমি সম্পর্কে তদন্ত করছে। এই ঘটনায় কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, এবং কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কলেজ প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন। তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তরুণীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। কলেজের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "এ ধরনের জালিয়াতি মোকাবিলায় আমরা সতর্ক রয়েছি এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।"

এই ঘটনা শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুলিশ এখন তদন্ত চালিয়ে মনিকা আক্তার মিতুর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সহযোগীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।