এক সময়ে নিয়মিত খাবারে বীজের ব্যবহার খুব বেশি ছিল না। মাঝে মাঝে বীজের ভর্তা খাওয়া বা নাড়ু বানিয়ে রাখার প্রচলন ছিল। এখন অবশ্য খাবারের প্যাটার্ন বদলেছে। মানুষের রোগের ধরনও পাল্টেছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগ নিয়ে মানুষ শঙ্কিত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। তবে জেনে রাখবেন যে ডায়াবেটিস (বিশেষ করে টাইপ-২) রোগীদের জন্য বীজ অত্যন্ত উপকারী। বীজে কার্বোহাইড্রেট খুব কম থাকে, অন্যদিকে প্রচুর ফাইবার, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (ওমেগা-৩), ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য খনিজ উপাদান বিদ্যমান। এসব উপাদান রক্তে শর্করার বৃদ্ধি কমায়, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়, প্রদাহ হ্রাস করে এবং হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
গবেষণায় কী দেখা গেছে?
মেটা-অ্যানালাইসিস ও র্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়ালে (RCT) দেখা গেছে, নিয়মিত বীজ খেলে ফাস্টিং ব্লাড গ্লুকোজ, HbA1c, ইনসুলিন লেভেল এবং HOMA-IR (ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে কমে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের বীজ যেমন চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড, সূর্যমুখী বীজ, কুমড়ার বীজ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে। তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত।


