নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরিদর্শনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
ঝটিকা সফরে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদের মুখে পড়েন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তারা তত্ত্বাবধায়কের প্রত্যাহার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান এবং হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মন্ত্রী হাসপাতাল ক্যাম্পাস ত্যাগ করে পরে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম যথাযথভাবে না হওয়ায় হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার দ্রুত টিকা সংগ্রহ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
হাসপাতালের নতুন ভবন চালু
মন্ত্রী আরও জানান, নোয়াখালী সদর হাসপাতালের নতুন ভবন আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু করা হবে। এরপর পুরোনো ভবনের রোগীদের সেখানে স্থানান্তর করা হবে এবং পুরোনো অবকাঠামোয় অতিরিক্ত ২৫০ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, নোয়াখালীর স্বাস্থ্যখাতে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।



