ঈদে ছুটি বাতিল ডাক্তার-নার্সদের, ১০ দিন হাসপাতালে থাকতে হবে
ঈদে ছুটি বাতিল ডাক্তার-নার্সদের, ১০ দিন হাসপাতালে

ঈদুল ফিতরে দেশের সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও নার্সদের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী ১০ দিন তাদের হাসপাতালে উপস্থিত থাকতে হবে। এই সময়ে কোনো অবস্থাতেই ছুটি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকলেও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে হবে। তাই ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হলো। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ঈদের দিনসহ আগামী ১০ দিন হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও ইনডোর সার্ভিস চালু থাকবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঈদের আগে ও পরে হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ে। এ সময় জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সবাইকে উপস্থিত থাকতে হবে। কোনো চিকিৎসক বা নার্স ছুটি নিলে তা জরুরি সেবায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ঈদের দিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগ খোলা থাকবে। জরুরি বিভাগ ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে। ইনডোর বিভাগে রোগীদের নিয়মিত সেবা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিক্রিয়া

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেক ডাক্তার ও নার্স বলছেন, ঈদের ছুটি না পাওয়ায় তারা হতাশ। তবে রোগীদের সেবা দেওয়াটাই তাদের প্রথম কর্তব্য বলেও মন্তব্য করেন তারা।

একজন সিনিয়র নার্স বলেন, “ঈদে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য আমরা মুখিয়ে থাকি। কিন্তু রোগীদের কথা ভেবে আমরা এই সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি।”

অন্যদিকে, রোগীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, জরুরি সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স না থাকলে বিপাকে পড়তে হতো।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিগত বছরের নজির

প্রতি বছরই ঈদের সময় হাসপাতালে জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এমন নির্দেশনা দিয়ে থাকে। তবে এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে আরও কঠোর হওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ঈদের ছুটিতে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিশেষ করে দুর্ঘটনা ও হৃদরোগের রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই এই সময়ে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি জরুরি।

সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন