লাইসেন্স বাতিল বিতর্কে অ্যাড-দীন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার
লাইসেন্স বাতিল বিতর্কে অ্যাড-দীনের অভিযোগ অস্বীকার

অ্যাড-দীন ফাউন্ডেশন তার হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকার কর্তৃক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কের মধ্যে সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি এ কথা জানায়।

অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

অ্যাড-দীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মাহমুদউদ্দিন সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, হাসপাতালের ভেতরে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে শিশুমৃত্যুর যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। তিনি বলেন, গ্যাসজনিত কারণে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

“আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি, হাসপাতালে কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণে কোনো নবজাতকের মৃত্যু হয়নি,” সাংবাদিকদের তিনি জানান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লাইসেন্স বাতিলের প্রেক্ষাপট

গত ২৭ মে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অ্যাড-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং হাসপাতালের ব্যাখ্যা পর্যাপ্ত না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডা. মাহমুদউদ্দিন আরও দাবি করেন, লাইসেন্স ফিরে পেতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ঘুষ বা অনিয়মিত আর্থিক লেনদেনের চেষ্টা করেনি। “আমরা মন্ত্রীর কাছে ঘুষের টাকা নিয়ে যাইনি,” তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট করা উচিত।

গৃহীত পদক্ষেপ

তিনি জানান, সরকারের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা পরীক্ষা চলছে। বায়ুর মান নিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতাল চত্বর থেকে বেকারি-সম্পর্কিত কার্যক্রম সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ভবনের কাঠামোগত অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, যদি ভবনটি চিকিৎসার জন্য অনুপযোগী বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনি ও কারিগরি সিদ্ধান্ত মেনে হাসপাতাল ভেঙে ফেলাসহ যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চলমান বিতর্ক

ডা. মাহমুদউদ্দিন বলেন, বিতর্ক সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে অ্যাড-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে। সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও হাসপাতালের ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর বলে বর্ণনা করে এবং প্রমাণিত অবহেলায় কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেয়।