চমেকে দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি, ট্রেইনি চিকিৎসকদের একাত্মতা
চমেকে দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি, ট্রেইনি চিকিৎসকদের একাত্মতা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের ছয় দফা দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছেন। এই কর্মবিরতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ট্রেইনি চিকিৎসকরাও যোগ দিয়েছেন, যা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

কর্মবিরতির ধারাবাহিকতা

সোমবার (৮ জুন) পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ৮টা থেকে চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১১টায় চমেকের প্রধান ফটকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করেন তারা। এদিন ট্রেইনি চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে কর্মবিরতি আরও জোরদার হয়।

রোগীদের সেবায় বিঘ্ন

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে আগত ও ভর্তি থাকা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। ট্রেইনি চিকিৎসকদের যোগদান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যার ফলে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দাবি ও আলটিমেটাম

গত ১৯ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নোটিশকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে গত বুধবার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল চমেক হাসপাতাল ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। একইসঙ্গে সংগঠনটি ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়নের আলটিমেটাম দেয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি দাবি আদায়ে হাসপাতাল পরিচালকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। শনিবার দাবি আদায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে পরদিন থেকে কর্মবিরতি শুরু করার হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি। এর ফলে রোববার থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ কর্মসূচি

চমেক হাসপাতাল ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাকিব হোসেন বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। অন্যথায় দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে তারা বাধ্য হবেন।