জবির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুমোদন, ২০২৬-২৭-এর প্রস্তাব সিন্ডিকেটে
জবির সংশোধিত বাজেট অনুমোদন, প্রস্তাব সিন্ডিকেটে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৩০ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেট অনুমোদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি। একই সঙ্গে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা শেষে তা অনুমোদনের জন্য সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়েছে।

অর্থ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির ৮৮তম (বিশেষ) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অর্থ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তার সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুমোদনের পাশাপাশি আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বাজেট বৃদ্ধি ও লক্ষ্য

অর্থ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আগের অর্থবছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আগামী ২৯ জুন অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক পরিকল্পনা কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সভায় উপস্থিত সদস্যরা

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী নূর, এসডিএফের চেয়ারপারসন ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বাজেট শাখা) লিউজা-উল-জান্নাহ, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী এবং উপ-পরিচালক (ফান্ড ও বাজেট) খন্দকার হাবিবুর রহমানসহ অর্থ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব

সভায় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাজেটের কার্যকর ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন।