শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আশা প্রকাশ করেছেন যে, বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পরিমার্জিত পাঠ্যবই হাতে পাবে। সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের মাঠে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এ বছরে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের বই পৌঁছে দেব। বইগুলি পরিমার্জিত এবং কারিকুলাম অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৮ সালে আমরা নতুন কারিকুলাম ও সিলেবাস নিয়ে আসতে পারব।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইগুলো পরিমার্জন হয়েছে। চারটি বিষয়ে বই নতুনভাবে দেওয়া হচ্ছে এবং এই কর্মযজ্ঞ শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। তবে এবার ২৫ ডিসেম্বরের আগেই তাদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এসএসসি পরীক্ষা সুন্দরভাবে সমাপ্ত হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের মধ্যে আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশ হয়ে যাবে।
সেশন জট দূরীকরণ
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, এর পরবর্তীতে সেশন জট এবং এসএসসি, এইচএসসি ও ইউনিভার্সিটি এডুকেশনের মধ্যে যে গ্যাপ রয়েছে, তা সমন্বয় করা হচ্ছে। আশা করছি, ২০২৮ সালের মধ্যে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন পাবে। এই ব্যবস্থাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থায়ই শিক্ষার্থীদের জন্য অবহেলায় সময় কাটাব না।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনকে সিংক্রোনাইজ করছি, যাতে শিক্ষার্থীরা বসে না থাকে এবং অযথা কোচিং সেন্টারে যেতে না হয়। ক্রিয়েটিভ এডুকেশন ও সৃজনশীল লেখাপড়ার দিকে লক্ষ্য রেখে সিলেবাস ও কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।



