২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এই শিক্ষাক্রমের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে।
নতুন শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষাক্রমে ১০টি বিষয়ের পরিবর্তে ৫টি মূল বিষয় রাখা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে পারবে। এছাড়া প্রতিটি বিষয়ে ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ
নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে তারা নতুন শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবেন।’
শিক্ষার্থীদের মতামত
শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষার্থী সাদিয়া বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রমে আমাদের হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ বেশি, যা পড়াশোনাকে আরও মজাদার করে তুলেছে।’
চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যেমন পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও শিক্ষকের অভাব। তবে সরকার ধাপে ধাপে এই সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে সব স্কুলে নতুন শিক্ষাক্রম সম্পূর্ণরূপে চালু করতে সক্ষম হব।’



