বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে। এই নীতির আওতায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করা হবে।
নতুন শিক্ষানীতির মূল বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনা। এছাড়া মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন
উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন কোর্স চালু করা হবে এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া বিদেশে পড়াশোনার জন্য বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানো হবে।
নতুন শিক্ষানীতিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করবে।



