বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়া প্রকাশ করেছে। এই খসড়ায় প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত সংস্কার
খসড়া নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষায় বাধ্যতামূলক শিক্ষার মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে।
মূল্যায়ন পদ্ধতি
নতুন নীতিতে মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। বার্ষিক পরীক্ষার পাশাপাশি ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা বিকাশের লক্ষ্যে পাঠ্যক্রম পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব রয়েছে।
শিক্ষানীতির খসড়াটি জনমতের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ এবং সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত নীতি প্রণয়ন করা হবে।



