সুবিপ্রবিতে স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সুবিপ্রবিতে স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভ

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সুবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করেছেন। সোমবার দুপুরে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

পাঁচ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস হয়নি

জাতীয় সংসদে ‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ আইন পাস হয় ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর। এরপর ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর ১২৮ শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু হয়। জেলা শহর সুনামগঞ্জ থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটসহ কয়েকটি ভাড়া করা ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও পাঠদান কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে সুবিপ্রবিতে দুটি ব্যাচের শিক্ষার্থী রয়েছেন। আগামী মাসে নতুন আরেকটি ব্যাচ ভর্তি হবে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলায় হাজী আকরাম আলী দাখিল মাদ্রাসায় অবস্থিত সুবিপ্রবির অস্থায়ী ক্যাম্পাসে বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হয়নি। শিক্ষার্থীরা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে ক্লাস করছেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই শিক্ষাবর্ষে পাঠ কার্যক্রম চলছে এবং নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম চলমান। স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব ধরনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, যা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে তারা দাবি করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য

বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী জাকারিয়া নাইম, ইমতিয়াজ হাসান (ইলিয়াস), জি এম তাইমুম, লাবনি দাস, আবদুর রহমান (নিশাদ), শাহরিয়ার খান, হৃদয় আহমেদ, ফরায়েজি মাহেদী প্রমুখ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভিসির সাথে আলোচনা

বিক্ষোভ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক মো. নিজাম উদ্দিন সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা তাঁদের অবহিত করেন। উপাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। আমি বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। জায়গা নির্ধারণ হয়েছে। এখন এটি প্রি-একনেক পর্যায়ে আছে। কাজটি যাতে দ্রুত এগোয়, এ জন্য জেলার সংসদ সদস্যরাও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন।’