বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
শিক্ষাক্রমের মূল বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, এই শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করবে।
শিক্ষার্থীদের মতামত
সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এই শিক্ষাক্রম তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে সফল হতে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ
শিক্ষাবিদরা বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি জরুরি। তারা সরকারকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। সভা শেষে একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।



