জবি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারকালীন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত
জবি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারকালীন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারকালীন ক্লাস ও সব ধরনের পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার (২৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত

এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকালে উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনের সভাকক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং একাডেমিক পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সব সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

সিদ্ধান্তের কারণ

সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করা হবে বলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “সম্প্রতি এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের পরও ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে আসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের অবস্থা ও নতুন নিয়ম

পূর্বে সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করতো। তখন কাউকে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও, কাউকে দেওয়া হতো না। আইন সবার জন্য সমান, সে যেই হোক। সিন্ডিকেট থেকে পাস হওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বহিষ্কার কার্যকর থাকা অবস্থায় কোনও শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তের পূর্বে বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার প্রেক্ষাপট

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ-জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারার দায়ে সাময়িক বহিষ্কার হন হল সংসদ থেকে ছাত্রদলের প্যানেলের জিএস প্রার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলী। তবে বহিষ্কারের পরও তার ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঘটনায় নতুন বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে নতুন সিদ্ধান্ত পাস হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে।