বাংলাদেশে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে। এই নতুন শিক্ষাক্রমের অধীনে, শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পরীক্ষার ভিত্তিতে নয়, বরং তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।
নতুন শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের শিখনফলের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এছাড়া, মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করে ধারাবাহিক মূল্যায়ন চালু করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন
এখন থেকে শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র বার্ষিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নয়, বরং সারা বছর ধরে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্পের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এই নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা মনে করছেন, এই পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাবে এবং তাদের প্রকৃত শিক্ষার ওপর জোর দেবে।



