প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: সব উপজেলায় মিড-ডে মিল ও টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনা
সব উপজেলায় মিড-ডে মিল ও টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: সব উপজেলায় মিড-ডে মিল ও টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনা

দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে সকালের সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টিচাহিদা পূরণে মিড-ডে মিল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টিচাহিদা পূরণে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।

ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে দেড় হাজার প্রতিষ্ঠানে, যার মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত, ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপন

লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।” কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের পাশাপাশি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ চালু করা হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগামী ৬ মাসের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে:

  • এগ্রিকালচার ইনটেলিজেন্স
  • সাইবার সিকিউরিটি
  • মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন ইউজিং ফ্লাটার
  • পাইথন প্রোগ্রামিং
  • ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং

এই উদ্যোগগুলো শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরের দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।