এসএসসি পরীক্ষায় 'নীরব বহিষ্কার' ধারা বাতিলের ঘোষণা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের
এসএসসি পরীক্ষায় 'নীরব বহিষ্কার' ধারা বাতিল

এসএসসি পরীক্ষায় 'নীরব বহিষ্কার' ধারা বাতিল: ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা ২০২৬ থেকে 'নীরব বহিষ্কার' সম্পর্কিত ধারা বাতিল করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি শনিবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, 'সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা ২০২৬-এর ২৯ নম্বর ধারা এখানে বাতিল করা হলো।' এই ধারাটি বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকেই বাতিল বলে গণ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর তৎপরতা ও নির্দেশনা

এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম ইহসানুল হক মিলনের সরাসরি হস্তক্ষেপ। শনিবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী এই 'নীরব বহিষ্কার' প্রথাকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার পরিপন্থী ও অবৈধ বলে অভিহিত করেন এবং তা অবিলম্বে বাতিল করার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর এই জোরালো অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরীক্ষা পরিচালনায় নতুন দিকনির্দেশনা

শিক্ষামন্ত্রী সভায় আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষায় আর 'নীরব বহিষ্কার'-এর কোনো সুযোগ থাকবে না, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষা খাতের জন্য কী বার্তা?

এই সিদ্ধান্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষা এবং পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই দ্রুত সাড়া প্রদান শিক্ষা প্রশাসনে গতিশীলতা ও দায়িত্বশীলতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।