শিশুদের স্মার্টফোন অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের দায়িত্বের ওপর জোর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
শিশুদের স্মার্টফোন অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের দায়িত্ব

শিশুদের স্মার্টফোন অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের দায়িত্বের ওপর জোর

শিশুদের আচরণ ও স্মার্টফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সরকারের নয়, বরং অভিভাবকদের—এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রীর স্পষ্ট অবস্থান

বর্তমানে অনেক শিশু স্মার্টফোন ব্যবহার করে অযথা গেম খেলে এবং ১৮+ কনটেন্ট দেখে, সেটা যেন বন্ধ হয়—সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের বিপরীতে শিক্ষামন্ত্রী জানতে চান, তারা কি পথশিশু? এ প্রশ্নের নেতিবাচক উত্তরের জবাবে মন্ত্রী আবারও জিজ্ঞেস করেন, যারা এ ধরনের অপব্যবহার করছে, তাদের কি অভিভাবক নেই?

শিক্ষামন্ত্রী সে সময় স্পষ্টভাবে বলেন, 'যদি তাদের অভিভাবক থেকে থাকেন, তাহলে এমন প্রশ্ন করেন কেন? বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি বা মন্ত্রালয়ের না, অভিভাবকদের।' তাঁর মতে, অভিভাবকদেরই সন্তানদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে সঠিক নির্দেশনা ও তদারকি করতে হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তায় পরিবারের ভূমিকা

শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, শিশুদের স্মার্টফোন অপব্যবহার রোধে সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা সীমিত। পরিবারই হলো প্রথম ও প্রধান শিক্ষাক্ষেত্র, যেখানে শিশুদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠে। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন সন্তানদের ডিজিটাল অভ্যাসগুলো মনোযোগ সহকারে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা। আলোচনায় শিশু শিক্ষা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক উঠে আসে। শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিশুদের সুস্থ বিকাশে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য