শিক্ষামন্ত্রী এএনএম এহসানুল হক মিলন বৃহস্পতিবার সংসদে জানিয়েছেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শূন্য পদের সংখ্যা
তিনি বলেন, 'বর্তমানে সারা দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ২ হাজার ৮৪২টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।' খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের (সিলেট-৫) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
প্রশ্নোত্তর পর্ব
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রশ্নোত্তর পর্ব উপস্থাপন করেন।
শিক্ষক সংকট নিরসনে উদ্যোগ
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দূর করতে শূন্য পদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠাতে প্রয়োজনীয় তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। 'এর মাধ্যমে শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে,' তিনি যোগ করেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ
অন্যদিকে, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলিয়া মাদ্রাসাসহ শিক্ষক সংকট নিরসনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে শূন্য পদ পূরণ করা হচ্ছে বলে জানান এহসানুল হক।
তিনি বলেন, 'সুতরাং, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শূন্য পদ পূরণ করা সম্ভব হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষক সংকট অনেকাংশে কমে যাবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে।'
মাদ্রাসার তথ্য
মাদ্রাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে তিনটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা এবং ৮ হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসা রয়েছে। সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় শূন্য পদের সংখ্যা ১১৪টি। এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় সুপারিনটেনডেন্টের ১ হাজার ৩৫৪টি এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্টের ১ হাজার ৭৭৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এনটিআরসিএর মাধ্যমে এসব পদ পূরণের প্রক্রিয়া চলমান বলেও জানান মন্ত্রী।



