প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন শাহীনা ফেরদৌসী
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে বদলিপূর্বক প্রেষণে পদায়ন করা হয়েছে। এই নিয়োগটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শাহীনা ফেরদৌসীকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে বদলিপূর্বক প্রেষণে পদায়ন করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দ্রুত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পূর্ববর্তী মহাপরিচালকের নতুন দায়িত্ব
অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব চালিয়ে আসা অতিরিক্ত সচিব আবু নূর মো. শামসুজ্জামানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নেতৃত্বে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।
নতুন মহাপরিচালকের পেশাগত পটভূমি
নতুন মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। তার পেশাগত জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন
- হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা
- বাংলাদেশ ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালকের পদে সফলতা
তার এই বিচিত্র অভিজ্ঞতা প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কাজের অভিজ্ঞতা তাকে এই চ্যালেঞ্জিং পদে সফল হতে সাহায্য করবে।
প্রাথমিক শিক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। নতুন মহাপরিচালকের নিয়োগ এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে গতিশীলতা আনার প্রত্যাশা তৈরি করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে জোরদার প্রচেষ্টা চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



