চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় অটোরিকশা চালক আটক
চবিতে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় অটোরিকশা চালক আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় অটোরিকশা চালক আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালককে পুলিশ আটক করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে হাটহাজারী মডেল থানা থেকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আটকের বিস্তারিত তথ্য

আটককৃত অটোরিকশা চালকের নাম মোহাম্মদ হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে আটক করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা হয়নি। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’

চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঁঞা জানান, ‘অভিযুক্তকে তার নিজ বাড়ির পাশের এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে শুনেছি।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পটভূমি

এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেট এলাকায় মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মেহেদি হাসানকে মারধর করেন এই অটোরিকশা চালক। সহকারী প্রক্টর কামরুল হোসেনের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট থেকে এক নম্বর গেটে যাওয়ার সময় নির্ধারিত ৭ টাকার পরিবর্তে অটোরিকশা চালক ১০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ায় শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চালক ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

মারধরে ওই শিক্ষার্থীর চোখে আঘাত লাগে এবং তার চশমা ভেঙে যায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হয়েছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তি থানায় আছেন। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।’

এই ঘটনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।